Facebook SDK

 আসসালামু-অলাইকুম,প্রথমেই বলে রাখি গুগল এডসেন্স থেকে আয় করতে হলে  প্রথমত আপনাকে একটি ওয়েবসাইট অথবা ইউটিউব চ্যানেল  থাকতে হবে এবং  এডসেন্স একাউন্ট কিভাবে খুলতে হয়  সে বিষয়টি জানতে হবে। 

কিভাবে ওয়েবসাইট ও ইউটিউব এডসেন্স একাউন্ট খুলতে হয় এবং এডসেন্স এর জন্য আবেদন করতে হয়।

অনেকের ব্লগে ভালোমানের আর্টিকেল থাকা সত্বেও গুগল এডসেন্স একাউন্ট খোলার নিয়ম না জানার কারনে প্রথমবার গুগল এডসেন্স এর জন্য আবেদন করে সফল হতে পারে না। 

তাছাড়া যারা অতিতে এডসেন্স অনুমোদন করে ব্লগে কিংবা ইউটিউবে ব্যবহার করেছেন কিন্তু কোন কারনে এডসেন্স একাউন্ট ব্যান হয়েছে, তারা পুনরায় নতুন একাউন্ট তৈরি করতে বিভিন্ন ধরনের সমস্যার সম্মুখিন হন। 

আমরা আজকের পোস্টে একটি নতুন এডসেন্স একাউন্ট খোলার নিয়ম সহ কিভাবে একটি ইউটিউ চ্যানেল দিয়ে এ্যাডসেন্স একাউন্ট খুলতে হয় সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।

আপনারা সবাই আবশ্যই জানেন যে, গুগল এডসেন্স হচ্ছে ইন্টারনেট ভিত্তিক একটি বিজ্ঞাপনী সংস্থা যেটি গুগল নিজে পরিচালনা করছে। অনলাইনে টাকা আয় করার যত উপায় আছে তার মধ্যে গুগল এডসেন্স হচ্ছে সবচেয়ে জনপ্রিয়। গুগল বিভিন্ন বিজ্ঞাপনি কোম্পানির কাছ থেকে অর্থের বিনিময়ে তাদের আওতাধীন যত ওয়েবসাইট আছে সেগুলোতে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে আয় করে। গুগল AdSense বিজ্ঞাপন থেকে যত টাকা আয় করে ।তার থেকে প্রাপ্ত অর্থের ৬৮ শতাংশ (কনটেন্ট এর ক্ষেত্রে) এবং ৫১ শতাংশ (সার্চ এর ক্ষেত্রে) ওয়েবমাস্টারদের মাধ্যমে বিতরণ করে গুগল। 

গুগল এডসেন্স এর শর্ত সমূহঃ

আপনি যদি গুগল এডসেন্স একাউন্ট খুলেতে চান তাহলে গুগল এডসেন্স এর কিছু নিয়ম মানতে হবে। নিয়ম না মেনে এডসেন্স এর আবেদন করলে আপনার এডসেন্স অনুমোদন হবে না। আর কিছু কিছু নিয়ম রয়েছে যেগুলো ছাড়া এডসেন্স একাউন্ট খোলা যায় না। গুগল এডসেন্স একাউন্ট খোলার জন্য নিচের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত ও নিয়ম মানতে হবে। যেমনঃ-
১। আপনার বয়স মিনিমাম ১৮ বছর হতে হবে।
২। আপনার একটি ব্লগ/ওয়েবসাইট/ইউটিউব চ্যানেল থাকতে হবে।
৩। ব্লগে পর্যাপ্ত কনটেন্ট থাকতে হবে।
৪। একটি জিমেইল একাউন্ট থাকতে হবে।
৫। এড্রেস ভেরিফাই করার জন্য একটি মোবাইল নাম্বার প্রয়োজন হতে পারে।


এডসেন্স একাউন্ট কত প্রকার & কি কি?

এডসেন্স একাউন্ট ২ প্রকার, যথাঃ

  • হোস্টেড এডসেন্স একাউন্ট 
  • নন-হোস্টেড এডসেন্স একাউন্ট 
এবার চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।

গুগল এডসেন্স এর হোস্টেড ও নন-হোস্টেড দুই ধরনের একাউন্ট রয়েছে। এক সময় এই দুই ধরনের এডসেন্স একাউন্টের আলাদা আলাদা সুবিধা ছিল। ২০১৮ সালের পূর্বে একটি নন-হোস্টেড এডসেন্স একাউন্ট দিয়ে ৫০০ টির বেশি ব্লগ/ওয়েবসাইটে এডসেন্স এর বিজ্ঞাপন ব্যবহার করা যেত। পক্ষান্তরে হোস্টেড এডসেন্স একাউন্ট দিয়ে কেবল মাত্র একটি ব্লগে বিজ্ঞাপন ব্যবহার করা সম্ভব হত। কিন্তু বর্তমানে হোস্টেড ও নন-হোস্টেড এডসেন্স একাউন্ট প্রায় এক ধরনের কাজ করে। এখন একটি হোস্টেড এডসেন্স একাউন্ট দিয়ে যেমনি একটির অধিক ব্লগে বিজ্ঞাপন ব্যবহার করা যায় না তেমনি একটি নন-হোস্টেড এডসেন্স একাউন্ট দিয়েও একটির বেশি ব্লগ/ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন ব্যবহার করা যায় না। উভয় ক্ষেত্রে একটি এডসেন্স একাউন্ট দিয়ে একাধিক ব্লগে বিজ্ঞাপন ব্যবহার করার জন্য প্রত্যেকটি ওয়েবসাইটের এডসেন্স একাউন্ট অনুমোদন করে নিতে হয়। কেবলমাত্র যে কয়টি ব্লগ/ওয়েবসাইটে অনুমোদন হবে সেগুলোতে এডসেন্স বিজ্ঞাপন ব্যবহার করার সুযোগ পাবেন।

হোস্টেড এডসেন্স একাউন্ট কি?

গুগল ব্লগার, ইউটিউব ও AdMob দিয়ে প্রাপ্ত এডসেন্স একাউন্ট হোস্টেড এডসেন্স একাউন্ট বলে। তবে যাদের ব্লগার ব্লগে টপ লেভেলে ডোমেন (.com .net. info) যুক্ত আছে তাদের ব্লগের একাউন্ট হোস্টেড একাউন্ট নয়। শুধুমাত্র যারা ইউটিউব দিয়ে ও Yourblog.Blogspot.Com টাইপের সাবডোমেইন দিয়ে এডসেন্স ব্যবহার করছেন তাদের এডসেন্স একাউন্ট হোস্টেড একাউন্ট।

নন -হোস্টেড এডসেন্স একাউন্ট কি?

গুগল ব্লগার, ইউটিউব ও AdMob ছাড়া টপ লেভেলের যত ডোমেইন দিয়ে এডসেন্স অনুমোদন করা হয় সবগুলো হচ্ছে নন-হোস্টেড এডসেন্স একাউন্ট। এক সময় এ ধরনের একাউন্টের অনেক গুরুত্ব থাকলে বর্তমানে প্রায় দুটি একাউন্ট সমান গুরুত্ব বহন করে।

এডসেন্স একাউন্ট পাওয়া শর্তাবলীঃ


প্রাথমিক অবস্থায় গুগল এডসেন্স একাউন্ট পেতে হলে সাধারন কিছু নিয়মাবলি জানতে হয় যেমন,

  • ওয়েব সাইটের আর্টিকেলগুলো ইউনিক হতে হবে। কোন প্রকার কপি কন্টেন্ট Google AdSense এর নিকট গ্রহন যোগ্য নয়।
  • কোন প্রকার Adult কন্টেন্ট গ্রহন যোগ্য নয়।
  • Google AdSense এ পপ-আপ এড নাই। তাই সেব সাইটে পপ-আপ এড ব্যবহার করতে চাইবেন, সেই সব সাইটের জন্য Google AdSense একাউন্ট নয়।
  • ওয়েব সাইটে যথাযত আর্টিকেল থাকতে হবে। যেমন কমপক্ষে ৩০ টির উপরে পোস্ট থাকতে হবে।
  • ওয়েব সাইটে About us, Contact us ও Terms & condetion পেইজ গুলো থাকতে হবে।
  • বর্তমান আপডেট অনুসারে Google AdSense একাউন্ট বাংলা সাইট এর জন্য গ্রহন। তবে ইংরেজী ভাষায় তৈরিকৃত সাইট ব্যবহার করুন এডসেন্স একাউন্টের জন্য।
  • সাইটে কোন প্রকার গোপোনিয় বিষয় কিংবা কারো ব্যাক্তিগত বিষয় প্রকাশ করা যাবে না।

আপতত এই বিষয়গুলোর দিক লক্ষ রাখলেই হবে।


এডসেন্স একাউন্ট এর বিষয়বস্তু কি?

নির্দিষ্টহের ব্যবহারকারীদের জন্য বিষয়বস্তু ভিত্তিক বিজ্ঞাপনগুলো টার্গেট করা যেতে পারে। 

লক্ষ্যমাত্রা CPM এর পূর্ণরূপ হল Cost Per Mille। এখানে Mille হল একটি ল্যাটিন শব্দ যার অর্থ হল Thousand।

 আরও সহজভাবে বললে CPM এর অর্থ দাঁড়ায় Cost Per Thousand Impression। অর্থাৎ একজন এডভার্টাইজার তার কোনো এড ১০০০ বার প্রদর্শন করার জন্য যে পরিমাণ অর্থ দিতে রাজি থাকে, তাকে CPM বলে। একজন এডভার্টাইজার যদি 2.00$/CPM রেটে তার এড প্রদান করে তাহলে এর অর্থ এই যে এডভার্টাইজার তার এড এর প্রতি ১০০০ ভিউ এর জন্যে ২$ পে করবেন। CPM শব্দটি শুধুমাত্র এডভার্টাইজারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, ইউটিউবারের জন্য নয়। 

আর CPC এর পূর্ণরূপ হল Cost Per Click। CPC শব্দটিও কেবল এডভার্টাইজারদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। সহজভাবে বললে একজন এডভার্টাইজার তার এড এ প্রতি ১০০০ ক্লিকের জন্য যে পরিমাণ অর্থ দিতে রাজি থাকে, তাকে CPC বলে। যদি কোনো এডভার্টাইজার 5.00$/CPC রেটে এড প্রদান করে তাহলে তিনি তার এড এ প্রতি ১০০০ টি ক্লিকের জন্য ৫$ প্রদান করবে।

প্রোডাক্ট এডভার্টিজমেন্টের জন্য বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের মাপ রয়েছে। বিজ্ঞাপনগুলি সহজ পাঠ্য, ছবি, অ্যানিমেটেড ইমেজ, ফ্ল্যাশ ভিডিও, ভিডিও, বা সমৃদ্ধ মিডিয়া বিজ্ঞাপন হতে পারে। বেশিরভাগ বিজ্ঞাপনে, ব্যবহারকারীরা উভয় পাঠ্য এবং মাল্টিমিডিয়া বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করতে পারে বা তাদের মধ্যে শুধু একটি পরিবর্তন করা যায়। এড হিসাবে সহজে সনাক্তকরণের জন্য একটি এড্রেস টেক্সট ও ধূসর তীর চিহ্ন প্রদর্শিত হয়। সম্প্রতি প্রতি পৃষ্ঠায় বিজ্ঞাপনের সংখ্যা সম্পর্কিত গুগল- এর একটি পলিসি হালনাগাদ করা হয়েছে, প্রতি পৃষ্ঠার সীমা তিনটি বিজ্ঞাপন সরানো হয়েছে।

তথ্য সূত্রঃ উইকিপিডিয়া। 

কিভাবে টাকা হাতে পাব?

এখন ২ ভাবে টাকা পাওয়া যায়। যে মাসে আপনার ব্যালেন্স ১০০ ডলার হবে ঠিক তার পরের মাসের প্রথম সপ্তাহে আপনি ব্যাংক ট্রান্সফার বা চেকের মাধ্যমে টাকা পাবেন।
কিছু আইডিয়া পেলেন তারপর বিস্তারিত তো সামনে জানবেনই। 

এখন শুরু করতে আপনার কি লাগবে?শুধু আপনার নিজের একটা সাইট আর পর্যাপ্ত সময়। গুগল এডসেন্স থেকে কাজের মজাটা এরকম যে মনে করেন আপনি অনেক কষ্টে ১০ তলা একটা বাড়ী বানালেন বাকি জীবন বসে বসে ভাড়া তুলবেন আর খাবেন। আপনি মারা গেলে আপনার সন্তানরা খাবে।

কিভাবে এডসেন্স একাউন্ট খুলতে হয়?

প্রথমে আমরা জেনে নিব কিভাবে একটি ব্লগ/ওয়েবসাইটের জন্য এডসেন্স একাউন্ট খুলতে হয়,তো চলুন শুরু করা যাক প্রথমেই এই লিংকে ক্লিক করে সরাসরি গুগল এডসেন্স এর ওয়েবসাইটে গিয়ে নিচের মত পেজ দেখতে পাবেন।

এসইওঃ কিভাবে ওয়েবসাইট  ও ইউটিউব এডসেন্স একাউন্ট খুলতে হয় এবং এডসেন্স এর জন্য আবেদন করতে হয়।

উপরে দেখানো  Get Started বাটনে ক্লিক করার পর নিচের চিত্রের মত অপশন দেখতে পাবেন।


এসইওঃ কিভাবে ওয়েবসাইট  ও ইউটিউব এডসেন্স একাউন্ট খুলতে হয় এবং এডসেন্স এর জন্য আবেদন করতে হয়।



এখানে ১নং অংশে আপনি যে ব্লগ/ওয়েবসাইট দিয়ে এডসেন্স একাউন্ট খুলবেন সেই ব্লগ/ওয়েবসাইটের এড্রেসটি বসাতে হবে। তারপর ২নং অংশে আপনার যেকোন একটি জিমেইল এড্রেস টাইপ করে দিতে হবে। এরপর ৩নং অংশ সিলেক্ট করে ৪নং অংশের Save and Continue এ ক্লিক করলে উপরের প্রদত্ত জিমেইল এড্রেস ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করার জন্য নিচের চিত্রের মত গুগল একাউন্টের লগিন পেজে নিয়ে যাবে।

এসইওঃ কিভাবে ওয়েবসাইট  ও ইউটিউব এডসেন্স একাউন্ট খুলতে হয় এবং এডসেন্স এর জন্য আবেদন করতে হয়।


এই অংশে প্রথমে আপনার জিমেইল আইডি এবং পরের ধাপে পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করা মাত্র নিচের চিত্রটি দেখতে পাবেন।



এসইওঃ কিভাবে ওয়েবসাইট  ও ইউটিউব এডসেন্স একাউন্ট খুলতে হয় এবং এডসেন্স এর জন্য আবেদন করতে হয়।


 উপরের ১নং এ দেশের নাম সিলেক্ট করে দিবেন। অর্থাৎ আপনি যে দেশ হতে এডসেন্স একাউন্ট খুলছেন সেই দেশ সিলেক্ট করে দিতে হবে। তারপর ২নং অংশে ঠিক মার্ক দিয়ে ৩নং অংশের Create Account ক্লিক করলে নিচের চিত্রটি দেখতে পাবেন।

এসইওঃ কিভাবে ওয়েবসাইট  ও ইউটিউব এডসেন্স একাউন্ট খুলতে হয় এবং এডসেন্স এর জন্য আবেদন করতে হয়।


এই অংশে আপনাকে তেমন কিছু করতে হবে না। এখান থেকে পরবর্তী অংশে যাওয়ার জন্য উপরের চিত্রের সাদা রংয়ের Get Started বাটনে ক্লিক করলে নিচের গুরুত্বপূর্ণ ধাপটি শো হবে।

এসইওঃ কিভাবে ওয়েবসাইট  ও ইউটিউব এডসেন্স একাউন্ট খুলতে হয় এবং এডসেন্স এর জন্য আবেদন করতে হয়।

এই অংশটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এখানে আপনি যে নাম ঠিকানা ব্যবহার করবেন পরবর্তীতে সেই ঠিকানায় আপনাকে এডসেন্স হতে চিঠি পাঠানো সহ যাবতীয় টাকা পয়সা পাঠানো হবে। কাজেই এই অংশটিতে আপনার যাবতীয় ঠিকানা সঠিকভাবে উল্লেখ করে দিবেন। উপরের চিত্রের ১নং অংশে আপনার নাম, ২নং অংশে ঠিকানা, ৩নং অংশে আপনার জেলার নাম, ৪নং অংশে আপনার পোস্ট অফিসের কোড নম্বর ও ৫নং অংশে আপনার যেকোন একটি মোবাইল নাম্বার দিয়ে ৬নং অংশের সাবমিট এ ক্লিক করলে নিচের চিত্রটি দেখতে পাবেন।


এসইওঃ কিভাবে ওয়েবসাইট  ও ইউটিউব এডসেন্স একাউন্ট খুলতে হয় এবং এডসেন্স এর জন্য আবেদন করতে হয়।


এখানে উপরের চিত্রের ১নং অংশের কোডটি কপি করে আপনার ব্লগের <head> ট্যাগের নিচে কিংবা </head> ট্যাগের উপরে বসিয়ে ব্লগের থিম সেভ করে নিতে হবে।


এসইওঃ কিভাবে ওয়েবসাইট  ও ইউটিউব এডসেন্স একাউন্ট খুলতে হয় এবং এডসেন্স এর জন্য আবেদন করতে হয়।

 আপনার ব্লগে উপরের কোডটি যুক্ত করার পর চিত্রের ২নং অংশে ঠিক চিহ্ন দিয়ে ৩নং অংশের Done এ ক্লিক করলে আপনার এডসেন্স একাউন্ট তৈরি হয়ে যাবে। That's all.

ইউটিউব এডসেন্স একাউন্ট খোলার নিয়মঃ

সান ব্রুনো, ক্যালিফোর্নিয়ায় অবস্থিত একটি মার্কিন অনলাইন ভিডিও-শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম। পেপ্যালের তিন প্রাক্তন কর্মচারী—চড হারলিস্টিভ চেন, এবং জাওয়েদ করিম—২০০৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে এ পরিসেবাটি তৈরি করেছিলেন। ২০০৬ সালের নভেম্বরে গুগল এই সাইটটি ১.৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে কিনেছিল। ইউটিউব বর্তমানে গুগলের অন্যতম অধীনস্থ প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে।

  • তথ্যঃইউকিপিডিয়া

আমরা জানি, ইউটিউব এর নতুন পলিসি অনুসারে ইউটিউব চ্যানেল মনিটাইজ করার জন্য আপনার ইউটিউব চ্যানেলে ১০০০ সাবস্ক্রাইবার ও এক বছরে ৪০০০ ঘন্টা ওয়াচ টাইম থাকতে হবে। অতএব ইউটিউবে এক বছরে মিনিমাম ৪০০০ ঘন্টা ভিডিও ভিউ হওয়ার পর একটি এডসেন্স একাউন্ট খুলে আপনি ইউটিউব থেকে টাকা আয় করা শুরু করতে পারবেন।

এসইওঃ কিভাবে ওয়েবসাইট  ও ইউটিউব এডসেন্স একাউন্ট খুলতে হয় এবং এডসেন্স এর জন্য আবেদন করতে হয়।


আপনার ইউটিউব চ্যানেলে ১০০০ সাবস্ক্রাইবার ও এক বছরে ৪০০০ ঘন্টা ওয়াচ টাইম পূর্ণ হলে আপনার চ্যানেল হতে উপরের চিত্রের ন্যায় Channel Icon > Your Channel এ ক্লিক করলে নিচের চিত্রটি দেখতে পারেন।



এসইওঃ কিভাবে ওয়েবসাইট  ও ইউটিউব এডসেন্স একাউন্ট খুলতে হয় এবং এডসেন্স এর জন্য আবেদন করতে হয়।



তারপর উপরের চিত্রের Youtube Studio তে ক্লিক করতে হবে। Youtube Studio তে ক্লিক করা মাত্র নিচের চিত্রের অপশনগুলো শো হবে।

আপনার ইউটিউব চ্যানেলে ১০০০ সাবস্ক্রাইবার ও এক বছরে ৪০০০ ঘন্টা ওয়াচ টাইম পূর্ণ হলে আপনার চ্যানেল হতে উপরের চিত্রেরন্যায় Channel Icon > Your Channel এ ক্লিক করলে নিচের চিত্রটি দেখতে পারেন।

এসইওঃ কিভাবে ওয়েবসাইট  ও ইউটিউব এডসেন্স একাউন্ট খুলতে হয় এবং এডসেন্স এর জন্য আবেদন করতে হয়।

উপরের চিত্রের বাম পাশ হতে নিচের দিকে স্ক্রলডাউন করলে Monetization নামে একটি অপশন দেখতে পাবেন। Monetization অপশনে ক্লিক করা মাত্র নিচের অপশনগুলো শো হবে।

এসইওঃ কিভাবে ওয়েবসাইট  ও ইউটিউব এডসেন্স একাউন্ট খুলতে হয় এবং এডসেন্স এর জন্য আবেদন করতে হয়।


এখান থেকে আপনার ইউটিউব এ্যাডসেন্স এর জন্য আবেদন করতে হবে। আপনার ইউটিউব চ্যানেলে ১০০০ সাবস্ক্রাইবার ও এক বছরে ৪০০০ ঘন্টা ওয়াচ টাইম পূর্ণ হলে উপরের অপশনটি দেখতে পাবেন। অন্যথায় মনিটাইজেশন Not Eligible বলবে। এখন একটি ইউটিউব একাউন্ট খোলার জন্য উপরের চিত্রের Apply Now এ ক্লিক করবেন। Apply Now এ ক্লিক করলে নিচের চিত্রেরন্যায় তিনটি Step দেখতে পাবেন। তিনটি স্টেপের মধ্যে প্রথম দুইটি ধাপের মাধ্যমে এডসেন্স একাউন্ট তৈরি করতে হবে।

এসইওঃ কিভাবে ওয়েবসাইট  ও ইউটিউব এডসেন্স একাউন্ট খুলতে হয় এবং এডসেন্স এর জন্য আবেদন করতে হয়।

এখানে উপরের চিত্রের Step 1 এর অধীনে থাকা Start এ ক্লিক করুন। Start এ ক্লিক করার পর নিচের চিত্রেরন্যায় ইউটিউব এর টার্ম এন্ড কন্ডিশন দেখতে পাবেন।

এসইওঃ কিভাবে ওয়েবসাইট  ও ইউটিউব এডসেন্স একাউন্ট খুলতে হয় এবং এডসেন্স এর জন্য আবেদন করতে হয়।

এখানে উপরের চিত্রের ১নং অংশে ঠিক চিহ্ন দিয়ে ২নং অংশে Accept Terms এ ক্লিক করলে নিচের চিত্রেন্যায় আপনার প্রথম স্টেপটি Done হবে।

এসইওঃ কিভাবে ওয়েবসাইট  ও ইউটিউব এডসেন্স একাউন্ট খুলতে হয় এবং এডসেন্স এর জন্য আবেদন করতে হয়।

উপরের চিত্রের দেখুন, এখানে আপনার প্রথম স্টেপটি Done হওয়ার কারনে সবুজ রংয়ের Done লেখা শো করছে। তারপর ২য় স্টেপ এ যেতে হবে।

এসইওঃ কিভাবে ওয়েবসাইট  ও ইউটিউব এডসেন্স একাউন্ট খুলতে হয় এবং এডসেন্স এর জন্য আবেদন করতে হয়।


স্টেপ ২ শুরু করার জন্য উপরের চিত্রের Start এ ক্লিক করতে হবে। Start এ ক্লিক করা মাত্র নিচের চিত্রটি দেখতে পাবেন।

এসইওঃ কিভাবে ওয়েবসাইট  ও ইউটিউব এডসেন্স একাউন্ট খুলতে হয় এবং এডসেন্স এর জন্য আবেদন করতে হয়।

এখানে উপরের চিত্রের ছোট্ট আইকনটিতে ক্লিক করতে হবে। আইনে ক্লিক করার পর নিচের চিত্রেরন্যায় আরো তিনটি অপশন দেখতে পাবেন।

এসইওঃ কিভাবে ওয়েবসাইট  ও ইউটিউব এডসেন্স একাউন্ট খুলতে হয় এবং এডসেন্স এর জন্য আবেদন করতে হয়।


এখানে তিনটি অপশন হতে আপনার যেটি প্রয়োজন সেটি সিলেক্ট করতে হবে। আপনার যদি পূর্বে কোন একটিভ এডসেন্স একাউন্ট থাকে, তাহলে প্রথম অপশন সিলেক্ট করবেন। আর কোন এডসেন্স একাউন্ট না থাকলে তীর চিহ্নিত অংশের অপশনটি সিলেক্ট করে Continue তে ক্লিক করবেন।

এসইওঃ কিভাবে ওয়েবসাইট  ও ইউটিউব এডসেন্স একাউন্ট খুলতে হয় এবং এডসেন্স এর জন্য আবেদন করতে হয়।


এই ধাপে আপনি শুধুমাত্র Redirect এ ক্লিক করবেন। Redirect এ ক্লিক করার পর একটি ইউটিউব এডসেন্স একাউন্ট তৈরি করার কাজ শুরু হবে।

এসইওঃ কিভাবে ওয়েবসাইট  ও ইউটিউব এডসেন্স একাউন্ট খুলতে হয় এবং এডসেন্স এর জন্য আবেদন করতে হয়।


এখানে ১নং অংশে আপনি ইউটিউব চ্যানেল এড্রেসটি অটোমেটিক চলে আসবে। তারপর ২নং অংশে আপনার যেকোন একটি জিমেইল এড্রেস টাইপ করে দিতে হবে। এরপর ৩নং অংশ সিলেক্ট করে ৪নং অংশের Save and Continue এ ক্লিক করলে উপরের প্রদত্ত জিমেইল এড্রেস ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করার জন্য নিচের চিত্রের নিয়ে যাবে।

এসইওঃ কিভাবে ওয়েবসাইট  ও ইউটিউব এডসেন্স একাউন্ট খুলতে হয় এবং এডসেন্স এর জন্য আবেদন করতে হয়।


এই অংশে প্রথমে আপনার জিমেইল আইডি এবং পরের ধাপে পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করা মাত্র নিচের চিত্রটি শো হবে।

এসইওঃ কিভাবে ওয়েবসাইট  ও ইউটিউব এডসেন্স একাউন্ট খুলতে হয় এবং এডসেন্স এর জন্য আবেদন করতে হয়।

উপরের চিত্রের ১নং অংশে আপনার কাঙ্খিত দেশের নাম সিলেক্ট করে দিবেন। অর্থাৎ আপনি যে দেশ হতে এডসেন্স একাউন্ট খুলছেন সেই দেশ সিলেক্ট করে দিতে হবে। তারপর ২নং অংশে ঠিক মার্ক দিয়ে ৩নং অংশের Create Account ক্লিক করলে নিচের চিত্রটি দেখতে পাবেন।

এসইওঃ কিভাবে ওয়েবসাইট  ও ইউটিউব এডসেন্স একাউন্ট খুলতে হয় এবং এডসেন্স এর জন্য আবেদন করতে হয়।

এই অংশে আপনাকে তেমন কিছু করতে হবে না। এখান থেকে পরবর্তী অংশে যাওয়ার জন্য উপরের চিত্রের সাদা রংয়ের Get Started বাটনে ক্লিক করলে নিচের গুরুত্বপূর্ণ ধাপটি শো হবে।

এসইওঃ কিভাবে ওয়েবসাইট  ও ইউটিউব এডসেন্স একাউন্ট খুলতে হয় এবং এডসেন্স এর জন্য আবেদন করতে হয়।


এখানে আপনি যে নাম ঠিকানা ব্যবহার করবেন পরবর্তীতে সেই ঠিকানায় আপনাকে এডসেন্স হতে চিঠি পাঠানো সহ যাবতীয় টাকা পয়সা পাঠানো হবে। কাজেই এই অংশটিতে আপনার যাবতীয় ঠিকানা সঠিকভাবে উল্লেখ করে দিবেন। উপরের চিত্রের ১নং অংশে আপনার নাম, ২নং অংশে ঠিকানা, ৩নং অংশে আপনার জেলার নাম, ৪নং অংশে আপনার পোস্ট অফিসের কোড নম্বর ও ৫নং অংশে আপনার যেকোন একটি মোবাইল নাম্বার দিয়ে ৬নং অংশের সাবমিট এ ক্লিক করলে নিচের চিত্রটি দেখতে পাবেন।

এসইওঃ কিভাবে ওয়েবসাইট  ও ইউটিউব এডসেন্স একাউন্ট খুলতে হয় এবং এডসেন্স এর জন্য আবেদন করতে হয়।

উপরের চিত্রে দেখুন, আপনার অলরেডি একটি এডসেন্স একাউন্ট তৈরি হয়েগেছে। নতুন একাউন্ট তৈরি করার ৫/৬ ঘন্টা পর In Progress লেখাটি নিচের চিত্রেরন্যায় Done হবে।

এসইওঃ কিভাবে ওয়েবসাইট  ও ইউটিউব এডসেন্স একাউন্ট খুলতে হয় এবং এডসেন্স এর জন্য আবেদন করতে হয়।


উপরের চিত্রটি আমি ছয় ঘন্টা পর চেক করেছি। ছয় ঘন্টার পর গুগল এডসেন্স টিম আমার আবেদনটি রিভিউ করার জন্য গ্রহন করেছে।

এসইওঃ কিভাবে ওয়েবসাইট  ও ইউটিউব এডসেন্স একাউন্ট খুলতে হয় এবং এডসেন্স এর জন্য আবেদন করতে হয়।

উপরের চিত্রে দেখুন আমার এডসেন্স একাউন্টটি এখন ৩য় স্টেপে Review এর অধীনে আছে। গুগল এডসেন্স টিম ৫-৭ দিনের মধ্যে আবেদনটি রিভিউ করে আমাকে জানিয়ে দেবে। আমার ইউটিউব চ্যানেলকে উপযুক্ত মনে করলে অনুমোদন করবে। আর উপযুক্ত না হলে রিজেক্ট করে দেবে। That's all.

এডসেন্স পাওয়ার পর যে বিষয়গুলো লক্ষ রাখবেনঃ

  • কখনোনিজের সাইটে প্রকাশিত ওয়েব সাইটের বিজ্ঞাপনে ক্লিক করা যাবে না।
  • কাউকে আপনার সাইটের লিংক ও দেয়া যাবে না। সে সে অন্য আইপি থেকে ঢুকে আপনার সাইটের বিজ্ঞাপনে ক্লিক করবে। গুগল ফেইক ক্লিক ট্রেস করতে পারে। যেমন, ভিজিটর কোন রেফাল এ না যদি ডাইরেক লিংক থেকে আসে তবে গুগল বুঝতে পারে যে, আপনি কাউকে লিংক দিয়েছেন।
  • এডসেন্স একাউন্ট পাওয়ার পর কোন এডাল্ট সাইটে এড স্থাপন করা যাবে না।
  • এক’ই পিসি থেকে দুইটি এডসেন্স একাউন্ট খোলা যাবে না। এমনকি দুইটা এডসেন্স একাউন্টে লগ-ইন করাও যাবে না।
  • আপনার একাউন্টে অন্য কারো কম্পিউটারে লগ-ইন করবেন না। বারে বারে আইপি পরিবর্তন করে সাইন-ইন করলে, একাউন্ট ব্যান হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে।


শেষ কথাঃএর পরেও যদি কেও না বুঝে থাকেন কমেন্ট করতে পারেন আর এর দ্বারা যদি কারো উপকার হয় কমেন্ট করে জানালে খুশি হবো কারন অনেক কষ্ট করে সময় দিয়ে একটা পোস্ট লিখতে হয়।











2 Comments

  1. কৃতজ্ঞতা ❤️। এপ্লাই করবো। ধন্যবাদ আপনাকে।

    ReplyDelete
  2. আপনাকেও আমাদের সাথে থাকার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

    ReplyDelete

Post a Comment

Previous Post Next Post