Facebook SDK

 5G Technology নিয়ে গত 2 বছর ধরে আলোচনা চলছে এবং এখন এটি চিন, আমেরিকা, জাপান এমনকি দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশে 5G ব্যবহার করা শুরু হয়ে গিয়েছে। 5জি'র কথা বলতেই আমাদের মনে পরে অটোমেটিক গাড়ি, অগমেন্টেড রিয়েলিটি (AR)।


আজ ৫জি এর কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে যাবো। সেটি হলো ৫জি আসলে আমরা আরো নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেট এর কি কি সুবিধা পাবো। মানে নেটওয়ার্ক এর ৫ জেনারেশনের মধ্যে আমরা আরো আগের চাইতে কি কি ফিচার পাবো আজকের আর্টিকেল শুধু এটা নিয়ে আপনাদের মাঝে বিস্তারিত আলোচনা করব।



এর আগে সরবপ্রথম আমরা ২জি ইন্টারনেট ব্যবহার করেছি। তারপর আমরা ৩জি ইন্টারনেট ব্যবহার করলাম। এবার আওমার ৪জি ইন্টারনেট ব্যবহার করেছি। তারপর ৫জি এরই পালা। মোবাইল অপেরাটর কম্পানি বা নেটওয়ার্ক কম্পানি সাধারণত প্রতি ১০ বছর পর পর তাদের জেনারেশন চেঞ্জ করে থাকে।


আমরা যখন ২জি ইন্টারনেট ব্যবহার করেছি। তখন ইন্টারনেট ছিলো বিশেষ কিছুর মধ্যে সীমাবদ্ধ। যেমন মনে করেনঃ তখন আমরা ২জি ইন্টারনেট কানেকশন দিয়ে সাধারনত ইন্টারনেট এর বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্রাউজিং করা যেতো। আবার ডাউনলোড এর দিক থেকে চিন্তা করলে বড়জোর কয়েক এমবি এর গান বা অন্যান্য কিছু ডাউনলোড করা যেত। তারপর নেটওয়ার্ক কম্পানি নেটওয়ার্কের ৩জি বা তৃতীয় জেনারেশন আনলে আমরা ইউটিউব পর্যন্তও ভালভাবে দেখতে পারতেছি। এবং মুভি নাটক, গান, সিনেমা সহ সকল ভারী ভারী জিনিশ ও আমরা ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড দিতে পেরেছি। মানে ৩জি আসার পর থেকে আমরা মোটামুটি ইন্টারনেট এর অনেক সুবিধা উপভোগ করতে পেরেছি।



তারপর আমরা পেলাম ৪জি। মানে নেটওয়ার্ক এর ৪র্থ জেনারেশন। এ জেনারেশনে আমরা পাচ্ছি দুর্দান্ত গতির ইন্টারনেট স্পীড। ইউটিউবে সকল ধরনের ভিডিও দেখা থেকে শুরু করে। ইন্টারনেট এর বিভিন্ন ভারী ফাইল অ আমরা অনেক তারাতারি ইন্টারনেট থেকে ডাওনলোড করতে পেরেছি। এবং এর ৪জি ইন্টারনেটে সাধারনত যে যে ফিচার গুলি পাওয়া তা আমরা পেয়েছি। ৪জিতে অনেক কাজ একসাথে করা সম্ভব। যেমন বড় কণ ফিউলে ডাউনলোড করা। একসাথে অনলাইন গেমইং করা সম্ভব হবে।



এখন আমি আলোচনা করব ৫জি নিয়ে। যেটা নিয়ে আমার এই আর্টিকেল এর মুল টাইটেল। ৫জি আমাদের দেশে এখনো আসে নাই । ৫জি মানে নেটওয়ার্ক ৫ম জেনারেশন। আজকের আমাদের ব্যবহার করা ৪জি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করেই বুজতেই পারছি যে ৫জি নেটওয়ার্ক কতোটা শক্তিশালী হতে পারে। হ্যা, আপনি যদি এটা চিন্তা করে থাকেন তাহঅলে একদম সঠিক চিন্তা করেছেন। কেননা ৫জিতে থাকবে ১মিলি সেকেন্ড লেটেন্সি। যা স্পীড অনেক পরিমানে হ। যেমন ৫জি নেটওয়ার্ক এর ডাউনলোড স্পীড হতে পারে ১-১০ জিবি প্রতি সেকেন্ডে। কথা কারো মনে অভিষাশ্য হলেও একদম সত্যি। তাছারা ৫জি নেটওয়ার্ক এ অনেক কাজ একসাথে করা যাবে । যেমন মুভি দেখা। অনেক ভারী ফাইল ডাউনলোড অনলাইনে গেমিং শ আরো অনেক কাজ একসাথে করা যাবে। তবেও কোনো ইন্টারনেট এর ড্রপ করবে না। তাছারা আরো অনেক অবিশ্বাস্য ফিচার পাবো। যা আমাদের জীবনের প্রযুক্তিকে আরো অনেক সুবিধা করে দি

গুগল নিয়ে মজার ৪ টি ট্রিকস!alert-success 


5G টেকনোলজি পাঁচটি প্রযুক্তি থেকে গঠিত হয়: (How dose 5G works):

1. মিলিমিটার ওয়েভ
2. স্পিড সেল
3. ম্যাক্সিমাম মিমো
4. বিমফর্মিং
5. ফুল ডুপ্লেক্স

মিলিমিটার 

মিলিমিটার ওয়েভ 5জি প্রচুর ডেটা অর্জন করে, যা প্রতি সেকেন্ডে 1GB গতিতে ডেটা স্থানান্তর করা সম্ভব করে। এই প্রযুক্তি বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভেরিজন এবং AT&T-র মতো টেলিকম অপারেটররা ব্যবহার করছেন। মোবাইল কল করার সময় বা ইন্টারনেট ব্য়বহার করার সময় মোবাইল তরঙ্গ মাধ্যম ব্য়বহার করে। যখন একসঙ্গে অনেকে ইন্টারনেট ব্য়বহার করেন, তখন সিগন্য়াল ড্রপ হয়ে যায়ে। তাই বিশেষজ্ঞরা চেষ্টা করছেন এই তরঙ্গের দৈর্ঘ্য আরও বাড়ানোর। ৫জি-তে পরীক্ষামূলকভাবে মিলিমিটার তরঙ্গ বা ৩০-৩০০ গিগাহার্টজ কম্পাঙ্কের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য ব্যবহার করছেন বিশেষজ্ঞরা।

স্পিড সেল

5জি প্রযুক্তির দ্বিতীয় বেস হ'ল স্পিড সেল। মিলিমিটার-ওয়েভের সমস্যা যেখান থেকে শুরু হয়ে, সেখান থেকেই শুরু হয়ে স্পিড সেলের কাজ। হাই ওয়েভের মিলিমিটার তরঙ্গ কোনও বাধা অতিক্রম করতে পারে না। যেহেতু mm তরঙ্গ বাধাগুলিতে কাজ করতে পারে না, তাই মূল সেল টাওয়ার থেকে সিগন্য়াল রিলে করার জন্য় পুরো অঞ্চল জুড়ে প্রচুর পরিমাণে মিনি সেল টাওয়ার স্থাপন করা হয়। এই টাওয়ারগুলির মধ্য়ে দূরত্বটা এতটাই কম হয়ে যে একটি টাওয়ারে সিগন্য়ালের সমস্য়া হলে অন্য় টাওয়ারের মাধ্য়ে সিগন্য়াল চলে আসবে।


স্পিড ম্যাক্সিমাম মিমো

5G প্রযুক্তির পরবর্তী ভিত্তি হ'ল সর্বাধিক MIMO, অর্থাৎ মাল্টিপল ইনপুট এবং মাল্টিপল আউটপুট প্রযুক্তি। এই প্রযুক্তির ব্যবহার করে ট্র্যাফিক পরিচালনা করতে বড় সেল টাওয়ার ব্যবহার করা হয়। 4G নেটওয়ার্ক সরবরাহকারী একটি নিয়মিত সেল টাওয়ারে 12টি অ্যান্টেনা আসে যা সেই অঞ্চলে সেলুলার ট্র্যাফিক পরিচালনা করে।

MIMO 100 অ্যান্টেনাকে একসাথে  সমর্থন করতে পারে যা বেশি ট্র্যাফিক থাকাকালীন টাওয়ারের ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে। এই প্রযুক্তিটির সাহায্যে এটি সহজে ৫জি সংকেত সরবরাহ করতে সহায়তা করে।


বিমফমিংঃ

বিমফর্মিং এমন একটি প্রযুক্তি যা নিয়মিতভাবে একাধিক সোর্স কে নজরদারি করতে পারে এবং যখন একটি সিগন্য়াল ব্লক থাকে তখন অন্য শক্তিশালী এবং উচ্চতর স্পিডের টাওয়ারে স্যুইচ করতে পারে। এটি নিশ্চিত করে যে নির্দিষ্ট ডেটা কেবল একটি নির্দিষ্ট দিকে যাক। যার কারণেই একটা নির্দিষ্ট সংখ্যক গ্রাহকের কাছে উচ্চগতির ইন্টারনেট পরিষেবা পৌঁছে যাবে।

ফুল ডুপ্লেক্স

ফুল ডুপ্লেক্স এমন একটি প্রযুক্তি যা একই ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ডে একই সাথে ডেটা প্রেরণ এবং গ্রহণ করতে সাহায্য করে। এই প্রযুক্তি ল্যান্ডলাইন টেলিফোন এবং শর্ট-ওয়েভ রেডিওতে ব্যবহৃত হয়। এটি দ্বিমুখী রাস্তার মতো, যা উভয় দিক থেকে একই ট্র্যাফিক প্রেরণ করে।

5জি প্রযুক্তির দ্বিতীয় বেস হ'ল স্পিড সেল। মিলিমিটার-ওয়েভের সমস্যা যেখান থেকে শুরু হয়ে, সেখান থেকেই শুরু হয়ে স্পিড সেলের কাজ। হাই ওয়েভের মিলিমিটার তরঙ্গ কোনও বাধা অতিক্রম করতে পারে না। যেহেতু mm তরঙ্গ বাধাগুলিতে কাজ করতে পারে না, তাই মূল সেল টাওয়ার থেকে সিগন্য়াল রিলে করার জন্য় পুরো অঞ্চল জুড়ে প্রচুর পরিমাণে মিনি সেল টাওয়ার স্থাপন করা হয়। এই টাওয়ারগুলির মধ্য়ে দূরত্বটা এতটাই কম হয়ে যে একটি টাওয়ারে সিগন্য়ালের সমস্য়া হলে অন্য় টাওয়ারের মাধ্য়ে সিগন্য়াল চলে আসবে।





Post a Comment

Previous Post Next Post